বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
মিঠাপুকুরের আবারো অটোভ্যান ছিনতাই, চালকের মাথায় ৬ স্থানে কোপ গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা ওসিকে মাসোহারা না দিলে ঘোরে না যানবাহনের চাকা শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি, রোগী ভর্তি করানোই এখন সোনার হরিণ মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে আমিষে টান, গরিবের পাতে মাছ মাংস তোলা দায় শয্যা নেই, যন্ত্র নষ্ট, দালালের রাজত্ব, হাসপাতালই এখন রোগশয্যায় জন্ম আর বিদায়ের দিন একই — “তোতা মাস্টার” থেকে “তোতা উকিল” নীতি, সংগ্রাম ও আত্মমর্যাদায় গড়া এক জীবন পঞ্চগড়ের জগদল বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গরুর মাংস বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা স্কুলে ফিরছে বেত্রাঘাত, শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর পদক্ষেপ আজ বিশ্ব গাধা দিবস, অবহেলিত প্রাণীটিকে ঘিরে কেন এই বিশেষ দিন?
শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি, রোগী ভর্তি করানোই এখন সোনার হরিণ

শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি, রোগী ভর্তি করানোই এখন সোনার হরিণ

স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়াজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু রোগীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। শিশুদের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের মায়েরাও। পরিস্থিতি সামাল দিতে শিশুদের জন্য আলাদা আইসোলেশন ইউনিট খোলা হলেও সেখানেও রোগীর চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। তথ্য সূত্র দৈনিক যুগান্তর 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিটে বর্তমানে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। করিডর, সিঁড়িঘর এমনকি লিফটের সামনেও রোগীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিশু ইউনিটে পর্যাপ্ত অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর ও সাকশন মেশিন না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও স্বজনরা। হাসপাতালের একমাত্র অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর মেশিনটিও বিকল হয়ে রয়েছে। ফলে অনেক রোগীর স্বজনকে বাইরে থেকে নিজ খরচে অক্সিজেন মেশিন এনে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

আইসোলেশন ইউনিটের এক নার্স জানান, “প্রতিদিনই রোগীর চাপ বাড়ছে। এত রোগী সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিরও সংকট রয়েছে। অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর ও সাকশন মেশিন খুব জরুরি।”
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা ও আশপাশের এলাকায় শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে।

কুমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. নিয়া ডা নিয়া মঞ্জু্র আহমেদ বলেন, “শিশুদের সংক্রমণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আলাদা আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়েছে। সীমিত সরঞ্জাম নিয়েই চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com