বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিমপুরের হাতিমারা কলেজে বাউবি এইচ.এস.সি. প্রোগ্রামের বই বিতরণ, ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত। লালমনিরহাটে চলন্ত বাসে সন্তান প্রসব! নবজাতকের নাম ‘আনাস হাসান’ দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার লালমনিরহাটে পুলিশের মতবিনিময় সভা পঞ্চগড়ে রাস্তার পাশের খালে ব্যবসায়ীর মরদেহ, তদন্তে পুলিশ-সিআইডি গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ আদর্শ ইসলামিক ক্যাডেট স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ, ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, একই শ্মশানে পাশাপাশি চিতা বকশীগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ! পঞ্চগড় পৌরসভায় ২৭টি ডাস্টবিন বিতরণ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা
শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি, রোগী ভর্তি করানোই এখন সোনার হরিণ

শিশু ইউনিটে তিনগুণ বেশি ভর্তি, রোগী ভর্তি করানোই এখন সোনার হরিণ

স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়াজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু রোগীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। শিশুদের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের মায়েরাও। পরিস্থিতি সামাল দিতে শিশুদের জন্য আলাদা আইসোলেশন ইউনিট খোলা হলেও সেখানেও রোগীর চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। তথ্য সূত্র দৈনিক যুগান্তর 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিটে বর্তমানে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। করিডর, সিঁড়িঘর এমনকি লিফটের সামনেও রোগীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিশু ইউনিটে পর্যাপ্ত অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর ও সাকশন মেশিন না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও স্বজনরা। হাসপাতালের একমাত্র অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর মেশিনটিও বিকল হয়ে রয়েছে। ফলে অনেক রোগীর স্বজনকে বাইরে থেকে নিজ খরচে অক্সিজেন মেশিন এনে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

আইসোলেশন ইউনিটের এক নার্স জানান, “প্রতিদিনই রোগীর চাপ বাড়ছে। এত রোগী সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিরও সংকট রয়েছে। অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর ও সাকশন মেশিন খুব জরুরি।”
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা ও আশপাশের এলাকায় শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে।

কুমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. নিয়া ডা নিয়া মঞ্জু্র আহমেদ বলেন, “শিশুদের সংক্রমণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আলাদা আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়েছে। সীমিত সরঞ্জাম নিয়েই চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com